তবে বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ মানতে নারাজ, ২১১ রান তাড়া করার মতো সামর্থ্য তাদের দলের নেই। বরং শুরুটা ভালো হলে ম্যাচটা জেতা সম্ভব হতো বলেই ধারণা তার।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, 'আমার মনে হয় যে ভুলগুলা প্রতিনিয়ত করছি, এর মাশুল প্রতি ম্যাচেই দেখছি।
এই জিনিসটা থেকে বের হতে হবে। এ ছাড়া মনে হয় না কোনো পথ আছে। এরকম খেলতে থাকলে একই ফলই হবে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা টেকটিক্যাল পরিকল্পনা বলেন, মাঠে সেগুলো ঠিকমতো প্রয়োগ করতে হবে।'
ভুল আসলে কোনগুলো? মাহমুদউল্লাহ বললেন, 'আমার মনে হয় ভুলগুলো আসলে প্রয়োগহীনতা। এর বাইরে ভুল দেখছি না।
নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা থাকতে হয় আর সাহসী হতে হয়। না হলে টিকে থাকা মুশকিল টি-টোয়েন্টিতে। আপনাকে ঝুঁকি নিতে হবে।
প্রতি ওভারে ১২-১৩ রান হচ্ছে, এর অর্থ অতিরিক্ত কিছু চেষ্টাও করছেন না। আপনাকে উইকেট নিতে হবে। পাওয়ার প্লে’তে তারা বড় রান পেয়েছে। আমরা তিনটা উইকেট হারিয়েছি।
এটা একটা ব্যবধান ছিল। টি-টোয়েন্টি প্রথম ছয় ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি ব্যাটিং করি তবে দ্রুত রান করতে হবে। আর বল করলে উইকেট নিতে হবে।'
বোলিংয়ে প্রথম ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার উইকেটই ফেলতে পারেনি বাংলাদেশ। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে গড়তে পারেনি বড় কোনো জুটি। যেখানে শ্রীলঙ্কার প্রথম দুটি জুটিই পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে, প্রথমটি তো ৯৮ রানের। আরও একটি জুটি পঞ্চাশের কাছে গেছে (৪৫)। সেখানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি ৪২।
প্রথম ম্যাচে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাংলাদেশ ১ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ৭১ রান। সেখানে দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ তুলতে পারে মাত্র ৪০ রান, উইকেট হারায় ৩টি। এগুলোই ব্যবধান গড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন মাহমুদউল্লাহ।
‘আমার মনে হয়, বোলিংয়ে ১২-১৩ ওভার থেকে ডেথ ওভার বোলিং শুরু করে দিয়েছে। উইকেট না নিলে কঠিন। না হলে ফিরে আসা কঠিন।
আর ব্যাটিংয়ে জুটি গড়তে পারিনি। ২০০ রান তাড়া করতে হলে পাওয়ার প্লে’তে অবশ্যই ৬০ বা ৬৫ রান করতে হবে। যেটা হয়তো বা শেষ ম্যাচে হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবার হয়নি। আমার কাছে খুব হতাশার।'- বলেছেন মাহমুদউল্লাহ।



No comments:
Post a Comment