সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌর এলাকার শফিপুরস্থ আনসার একাডেমীতে আয়োজিত সমাবেশে যোগদিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জনে আনসার বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ বাহিনীর ৬৭০ জন সদস্য মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। এ বাহিনীর ২০ জন বীর সদস্য বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর সরকারের শপথের দিনে গার্ড অব অনার দিয়েছিলেন। আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে তাদের স্মরণ করি।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফায় আনসার বাহিনীকে মিলিশিয়া বাহিনীর মর্যাদা দেয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। জাতির যেকোনো প্রয়োজনে আনসার বাহিনী সাহসকিতার সঙ্গে সাড়া দিয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের সরকার আনসার বাহিনীর সদস্যদের জন্য কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে পাঁচ লাখ টাকার অনুদানের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া আহত হলেও অনুদানের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যাটালিয়ন আনসারদের পারিবারিক রেশনের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। মহিলা থানা প্রশিক্ষিকাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র সালাম জানায় আনসার বাহিনীর একটি চৌকস দল। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হওয়ার পর একটি খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর আনসার বাহিনীর সদস্যরা কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন।



No comments:
Post a Comment