গত রোববার কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে বিজয় দিবস উপলক্ষে মহড়ায় যোগ দেয়া সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে একটি সামরিক সূত্র।
বিষয়টি এখনও পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের কোন কোন এলাকায় টানেল বানানো হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে একাধিক টানেল তৈরির পথেই এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
সূত্রটি জানায়, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তারা বেশ চিন্তিত। ডোকলামে চীনা সেনাদের আগ্রাসন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দিল্লি।
অরুণাচলের সঙ্গে চীন সীমান্ত নিয়েও চিন্তিত সেনাবাহিনী। তাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেয়া হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে পানাগড়, কলাইকুন্ডার মতো এলাকায় বিমানবাহিনীর সামরিক ঘাঁটির শক্তি বাড়ানো হচ্ছে। উত্তর-পূর্বে সেনাবাহিনীর ঘাঁটিকেও ঢেলে সাজাচ্ছে ভারত সরকার। চীনের আগ্রাসনের কথা মাথায় রেখেই এসব করা হচ্ছে বলে জানায় সামরিক সূত্রটি।
ডিব্রুগড়ে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপরে সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু বানানো হয়েছে। সীমান্তে তৈরি হচ্ছে নতুন রাস্তা ও সেতু।
পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবেই টানেল বানানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ডোকলাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছে সেনা সূত্র।
প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালন করে ভারতীয় সেনারা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এই দিনেই পাকিস্তানের হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছিল বাংলাদেশকে। পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করেছিল ভারতীয় বাহিনীর কাছে।
পূর্বাঞ্চলে ফৌজি অপারেশনের দায়িত্বে থাকা মেজর জেনারেল আর নাগরাজ বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এই প্রথম কলকাতা থেকে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা বাংলাদেশ আসছেন।



No comments:
Post a Comment