গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের কাছে সিজার দাবি করেন, টাকার জন্যই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।
চোখ বেঁধে বিমানবন্দর সড়কে তাঁকে ফেলে যায় অপহরণকারীরা। তবে টাকা না নিয়ে অপহরণকারীরা কেন ফেরত দিল, সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেননি সিজার ও তাঁর স্বজনরা।
নিখোঁজ হওয়ার ৭০ দিন পর গত মঙ্গলবার রাতে ফিরে এসে সাংবাদিক উৎপল দাসও একই রকম দাবি করেছিলেন।
অনলাইন নিউজপোর্টাল পূর্বপশ্চিমবিডিডটনিউজের সিনিয়র রিপোর্টার উৎপলকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতা এলাকায় কে বা কারা রেখে গিয়েছিল।
এর আগেও যাঁরা ফিরে এসেছেন তাঁদের নিখোঁজ হওয়ার রহস্যও একই রকম উত্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের একের পর এক ফিরে আসার ঘটনায় জনমনে স্বস্তি ফিরছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা নতুন করে আশায় বুক বাঁধছে। কালের কণ্ঠ’র কাছে থাকা তথ্য মতে, রাজধানী থেকে গত চার মাসে নিখোঁজ হয়েছেন ১৬ জন।
তাঁদের মধ্যে সিজারসহ ১০ জনকে পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে ছয়জন বাসায় ফিরেছেন। চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এখনো নিখোঁজ আছেন ছয়জন। ওই ছয়জনের স্বজনরা বলছে, তাদের প্রিয়জনকে ফেরত পাওয়ার আশা বেড়েছে। ঘটনার তদন্ত বা প্রতিকার নয়, শুধু প্রিয়জনকে ফেরত পাওয়াই তাদের কামনা।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান বিমানবন্দর থেকে বিদেশ ফেরত মেয়েকে আনতে গত ৪ ডিসেম্বর বিকেলে ধানমণ্ডির বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন।
অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মারুফের খোঁজ মেলেনি। মারুফ জামানের মেয়ে সামিহা জামান গতকাল বলেন, ‘একজনের ফিরে আসার খবর শুনেছি। তবে আমার বাবার খবর নেই।
আমরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বলে কোনো আপডেট নেই। ’ গত ২৭ আগস্ট ধানমণ্ডি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইশরাক আহমেদ। তাঁর বাবা জামাল উদ্দীন গতকাল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘উৎপল ফিরেছে, সিজারও ফিরল। দোয়া করি সবাই ফিরে আসুক।
আমার ছেলের কোনো খোঁজ নেই। আমরা প্রতিদিনই অপেক্ষায় থাকি ছেলে ফিরে এসেছে এমন খবর পাব। ’ মারুফ জামান ও ইশরাক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ধানমণ্ডি থানায় দুটি জিডি করা হয়
ওই থানার ওসি আব্দুল লতিফ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখনো তদন্তে কোনো অগ্রগতি হয়নি। আমাদের পাশাপাশি ডিবি-র্যাবও এসব ঘটনার তদন্ত করছে। ’
গত ২২ আগস্ট বিমানবন্দর সড়কে বনানী ফ্লাইওভারের নিচ থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও এবিএন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাদাত আহমেদ। তাঁর স্ত্রী লুনা সাদাত আহমেদ বলেন, ‘অফিসে যাওয়ার সময় তিনি অপহৃত হন।
এ সময় তাঁর গাড়িতে একটি ল্যাপটপ ও দুটি মোবাইল ফোন ছিল। সাদাত অপহৃত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দুটি অ্যাপস (হোয়াটস অ্যাপস, ভাইবার) দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দুই দিন খোলা ছিল। এখন আবার বন্ধ।
আমরা আশা করছি, সবার মতো আমার স্বামীও দ্রুত ফিরে আসবেন। আমার সন্তান তার বাবাকে ডাকতে পারবে। ’
গত ১৭ ডিসেম্বর ধানমণ্ডির ৯/এ ইবনে সিনার সামনে থেকে ‘অপহৃত’ হন লন্ড্রি ব্যবসায়ী সিরাজুল হক মিন্টু। তাঁর শ্যালক নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, ‘তাঁর (মিন্টু) স্ত্রী নভেম্বরে মারা গেছেন। একমাত্র সন্তান রাইয়ান হক পৃথ্বি আমাদের সঙ্গে থাকছে। মেয়েটা প্রায়ই কান্নাকাটি করে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সাংবাদিক উৎপল ও শিক্ষক মোবাশ্বার ফিরেছেন। আমরাও আশা করছি, মিন্টু ভাইও তাঁর মেয়ের কাছে ফিরে আসবেন। ’
গত ২৬ আগস্ট নয়াপল্টন থেকে সাভারের আমিনবাজারে বাসার উদ্দেশে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়েছেন কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান। তাঁর স্বজনরাও আশার আলো দেখছে বলে জানিয়েছে।
গত ২৬ আগস্ট কাকরাইল থেকে আবদুল্লাহ আল মামুন নামের এক ব্যক্তি নিখোঁজ হন। তাঁর ভগ্নিপতি সাইফুল ইসলাম রমনা থানায় জিডি করেন। গতকাল রমনা থানার ওসির সঙ্গে তিনবার যোগাযোগ করা হলেও মামুনের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানাতে পারেননি।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নিখোঁজরা ফিরে আসছে—এটা ভালো কথা।
সবারই ফিরে আসা দরকার। কারণ আইনগতভাবে গ্রেপ্তার করা ছাড়া যেকোনোভাবে আটকে রাখা মানবাধিকারের চরমভাবে লঙ্ঘন।
তবে তাঁরা কোথায় ছিলেন সেটাও বের হওয়া জরুরি। একজন ফিরে এলে হয়তো তাঁর পরিবারে সাময়িক স্বস্তি আসবে। তবে ভয় কাটবে না। অন্যদের মধ্যেও উৎকণ্ঠা কাটবে না। ’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল বলেছেন, ‘নিখোঁজদের সন্ধানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সচেষ্ট ছিল বলেই তাঁরা ফিরে আসছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত করা হবে। ধীরে ধীরে সবাইকে ফিরে পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। ’
সিজার যা বললেন : গতকাল সকালে ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রীর জে ব্লকের ১২/৩ নম্বর সড়কের ২৫ নম্বর হোল্ডিংয়ে মোবাশ্বার হাসান সিজারদের বাড়িতে গিয়ে কলাপসিবল গেটে তালা দেওয়া দেখা যায়। অনুরোধের পর বাইরে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে ছয় মিনিট কথা বলে যান সিজার।
‘অপহৃত’ হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি আগারগাঁওয়ে একটা বৈঠক শেষে ইউএনডিপি ভবন থেকে বের হই। রোকেয়া সরণি থেকে বাসায় ফেরার জন্য উবারের গাড়ি ডেকেছিলাম। গাড়িতে ওঠার পর মোবাইল ফোনে ব্রাউজ করছিলাম। তখন কয়েকজন লোক এসে গাড়িটি থামায়। তারা বলে, ‘এটি চোরাই গাড়ি, নামেন। ’ নামার পর আরেকটা গাড়ি খুঁজতে থাকি।
তখন পেছন থেকে একজন চোখে মলম লাগিয়ে দেয়। চোখ জ্বলছিল। তখন তারা ধাক্কা দিয়ে মাইক্রোবাসে তোলে। তোলার পর তারা মুখে কিছু একটা চেপে ধরে। তখন আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। ”
কোথায় কিভাবে ছিলেন জানতে চাইলে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিজার বলেন, ‘অনেকক্ষণ ঘুমিয়ে ছিলাম। হয়তো পরের দিন ঘুম থেকে উঠে দেখি একটা রুমে বন্দি আছি, পেছনে হাত বাঁধা। ময়লা একটা তোষক, ঘরের জানালা আছে; কিন্তু বাইরে থেকে সিল করা। পাশে আরেকটা রুম আছে। সেখানে কয়েকজনকে কথা বলত শুনতে পেতাম। ওখানেই ছিলাম। হোটেল থেকে মনে হয় ঠাণ্ডা খাবার এনে দিত খাওয়ার জন্য। ’
কান্না চেপে আবেগাপ্লুত সিজার বলেন, ‘অনেক দিন পর আজ দিনের আলোতে আসলাম। দিনের আলো দেখলাম। ’ কেন নেওয়া হয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মূল বিষয় টাকা-পয়সা। আমাকে বলেছিল, ‘তুই তো অনেক জায়গায় কাজ করিস। অনেক টাকা-পয়সা আছে। ’ আমার কাছে জানতে চায় আমার ঘনিষ্ঠ বড় (উচ্চপর্যায়ের) কেউ আছে কি না। আমার কাছে ২৭ হাজার টাকা ছিল, তা নিয়ে নিয়েছে। ”
মুক্তিপণ প্রসঙ্গে জড়ানো গলায় সিজার বলেন, ‘আমার কাছে সরাসরি কেউ টাকা চায়নি। তবে বাসায় ওদের (পরিবারের সদস্যদের) কাছে একবার ফোন দিয়েছিল। তাদের (অপহরণকারী) মধ্যে বাগিবতণ্ডা চলছিল। আমাকে ছাড়বে না মেরে ফেলবে। মাঝে তাদের একজন মিসিং হয়েছে, ঠিক আমি জানি না; যেটা নিয়ে স্কেয়ার্ড ছিল তারা। ’
ফিরে আসার বিষয়ে সিজার বলেন, “তারা আমাকে একটা গাড়ির মধ্যে বসায়। এক থেকে দেড় ঘণ্টা গাড়িটা চলে। চোখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। আমাকে একজনের কোলে শুইয়ে রেখেছিল তারা। একসময় নামিয়ে দিয়ে বলে, ‘তুই যাগা। পেছনে তাকালে মেরে ফেলব। ’ নেমে দেখি এয়ারপোর্ট রোড। ওখান থেকে একটা সিএনজি নিয়ে বাসায় আসি। আমার কাছে কোনো টাকা ছিল না। সিএনজিওয়ালার ফোন থেকে বাবাকে ফোন দিয়ে ৫০০ টাকা নিয়ে নিচে নামতে বলি। ”
সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিজার বলেন, ‘আসার পর আমি দেখছি, আমার বন্ধু, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বড় ভাই, ছোট ভাই সবাই আমার জন্য মানববন্ধন করেছে। আমি সবার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ’
সিজারের বোন তামান্না তাসমিন বলেন, ‘আমার ভাই ফিরে এসেছে, আমরা এতেই খুশি। আমাদের কোনো প্রশ্ন নেই। কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। ’ সিজারের বাবা মোতাহার হোসেন বলেন, ‘আমাদের মনে হচ্ছে আমরা নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি। আর কিছু বলার নেই। ’ মুক্তিপণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘না, কেউ টাকা-পয়সা চেয়ে ফোন করেনি। ’
খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, ‘তাঁর (সিজার) সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তিনি অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। আমরা তাঁকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি। যেখানে ঘটনা, সেখানেই মামলা করতে হবে। ’
গত ৭ নভেম্বর কর্মস্থলে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন সিজার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতক সিজার যুক্তরাজ্যে মাস্টার্স এবং অস্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পেও তিনি কাজ করেছেন। তিনি ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে একটি গবেষণা প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন।
আসকের তথ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত ১০ বছর ১০ মাসে ৫৪৪ জন নিখোঁজ হয়েছিল, যাদের মধ্যে ৩৯৫ জনকে আর পাওয়া যায়নি। চলতি বছর নিখোঁজ হয়েছে ৫৫ জন, যাদের মধ্যে ১০ জন ফিরে এসেছে। লাশ পাওয়া গেছে দুজনের। গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে আটজনকে। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকায় বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলম যেমন আছেন তেমনি আছে অনেক সাধারণ মানুষও। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক, তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা, বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহম্মেদ, ফাঁসি হওয়া সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী এবং কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার নিখোঁজ হওয়ার পর ফিরে আসার ঘটনা ব্যাপকভাবে আলোচিত।
আরো যাঁদের পাওয়া গেছে : গত ৭ নভেম্বর দক্ষিণ বনশ্রীর এইচ ব্লকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন প্রকৌশলী সহোদর আসাদুজ্জামান ও ফয়সাল রহমান। আসাদুজ্জামানের স্ত্রী খিলগাঁও থানায় জিডি করেন। পরে জঙ্গিসংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এক ভাইকে গ্রেপ্তার দেখায় র্যাব। অন্যজন বাড়ি ফেরেন।
সদ্য গঠিত বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি) সভাপতি মিঠুন চৌধুরী ও কেন্দ্রীয় নেতা আসিত ঘোষ গত ২৭ অক্টোবর রাতে সূত্রাপুরের ফরাশগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হন। পরে তাঁদের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের মামলায় আদালতে উপস্থাপন করে ডিবি।
গত ২৭ আগস্ট গুলশান থেকে নিখোঁজ হন বেলারুশের অনারারি কনস্যুলার ও ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ কুমার রায়। ৩০ অক্টোবর তিনি বাড়ি ফেরেন। এক চিঠিতে তিনি ব্যবসায়িক বিরোধের শিকার বলে দাবি করেন। তবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেননি। উল্টো অনিরুদ্ধ ঘটনাটি তদন্ত না করার জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান গুলশান থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক।
গত ৮ নভেম্বর গুলশান-২ নম্বরের ৫১ নম্বর বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হন করিম ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার তানভীর ইয়াসমিন করিম। পরে তাঁকে জঙ্গিসংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
গত ৫ নভেম্বর উত্তর শাজাহানপুর থেকে নিখোঁজ হন ফল ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন। ৯ নভেম্বর তিনি ফিরে এলেও পুরো ঘটনা রহস্যাবৃতই রয়ে গেছে।
গত ২৩ আগস্ট পুরানা পল্টন থেকে তুলে নেওয়া হয় আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তা শামীম আহমেদকে। ২৯ আগস্ট মতিঝিল থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
-kalerkantho



No comments:
Post a Comment