ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর পর্যটনমন্ত্রী পর্যায়ের দশম সম্মেলন উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকায় প্রথমবারের মতো এই সম্মেলন শুরু হয়েছে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্য শেখ হাসিনা পর্যটনশিল্পের বিকাশে ওআইসিভুক্ত ৫৭ দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় পর্যটন খাতকে সামনে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী পূর্ণ সমর্থন দেয়ার কথা বলেন। পাশাপাশি বিশ্বে পর্যটনশিল্পের বিকাশে মুসলিম দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক বিশ্বাস ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে। পর্যটনই অন্যতম ক্ষেত্র যেখানে একসঙ্গে কাজ করার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে।
রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ইস্যুতে ওআইসির ভূমিকা প্রশংসনীয়।
তিন দিনের এই সম্মেলনে ২৫ দেশের উচ্চপর্যায়ের শতাধিক প্রতিনিধি ও ১৫ দেশের পর্যটনমন্ত্রী অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনে ইসলামী হেরিটেজ ও কালচার, রিলিজিয়াস ট্যুরিজম ও হালাল ট্যুরিজ এবং টেকসই উন্নয়নে পর্যটনের ভূমিকাবিষয়ক বিভিন্ন রাউন্ড টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
২০১৫ সালের ২১ থেকে ২৩ নভেম্বর নাইজারের রাজধানী নিয়ামিতে অনুষ্ঠিত হয় ওআইসি’র সদস্য দেশগুলোর পর্যটনমন্ত্রীদের নবম সম্মেলন। সেইসময় সর্বসম্মতভাবে দশম সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।



No comments:
Post a Comment