ওই সব জমি দখল নেওয়া এবং বণ্টনে ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
দেশটির নতুন কৃষিমন্ত্রী পের্যান্সশিরিকে উদ্ধৃত করে গতকাল ইংরেজি দৈনিক দ্য হেরাল্ড জানায়, ‘যারা অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করেছে বা পুনর্বাসিত জায়গায় যারা রয়েছে, তাদের যত দ্রুত সম্ভব জমি ছেড়ে দিতে হবে। জমি দখলের বৈধ কাজগপত্র রয়েছে, এমন লোকরা এবং যাদের বৈধভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, শুধু তারা খামারে থাকতে পারবে। তাদের বাধাহীন উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে। ’
শিরি বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মার্শাল। গত মাসে সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের পতনের সময় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষি উৎপাদন বাড়াতে জিম্বাবুয়েতে অবশ্যই সদ্বিবেচনা ফেরাতে হবে। কৃষিকে অর্থনীতির মূল শক্তিতে পরিণত করার সরকারি লক্ষ্য অর্জন করতে চাইলে আমাদের খামারগুলোকে প্রশ্নহীন স্থিতিতে ফেরাতে হবে। সংবিধান অনুসারে ব্যবস্থা নিতে হবে।
’
জিম্বাবুয়েতে ভূমি সংস্কারের বিষয়টি অন্তত বিতর্কিত। ২০০০ সালে মুগাবে শ্বেতাঙ্গদের কাছ থেকে জমি নেওয়ার সময় বলেন, ঔপনিবেশিক আমলের বঞ্চনাকে শুধরাতে চান তিনি। তবে এর ফল ছিল ভয়াবহ। খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশটি নিজেদের জন্যই পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদনে ব্যর্থ হয়।
সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজন শ্বেতাঙ্গ কৃষক তাঁদের জমি ফিরে পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট এমারসন মানানগাগুয়া ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এ ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা আনার ঘোষণা দেন। সূত্র : এএফপি।



No comments:
Post a Comment